সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই বৈঠককে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরুর জন্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী ‘আঞ্চলিক প্রচেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনার মূল এজেন্ডাগুলো হলো:
হরমুজ প্রণালি সচল করা: যুদ্ধের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়া হরমুজ প্রণালিকে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করা।
স্থায়ী সমাধান: সংঘাতের দ্রুত ও স্থায়ী অবসানের পথ খুঁজে বের করা।
মধ্যস্থতা: ওয়াশিংটন ও তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা।
বৈঠকের প্রথম দিন শেষে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানান, আঞ্চলিক শক্তিধর দেশগুলো যুদ্ধের ভয়াবহতা কমাতে এবং একটি সম্ভাব্য সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বৈঠক শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে প্রায় ৯০ মিনিট টেলিফোনে কথা বলেন। পাঁচ দিনের মধ্যে এটি তাঁদের দ্বিতীয় ফোনালাপ, যা এই মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
এক মাস ধরে চলা এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং আকাশপথ ব্যবহারে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইসলামাবাদে চলমান এই বৈঠকটি সফল হলে কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা।