মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন বসার ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশগুলোর ভাগ্য নির্ধারণ করতে হয়। গণভোট অধ্যাদেশটি ছিল কেবল একটি নির্দিষ্ট ভোট অনুষ্ঠানের জন্য। যেহেতু ভোট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তাই এটিকে স্থায়ী আইনে রূপ দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এটি এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘ল্যাপস’ বা বাতিল হয়ে যাবে।
সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো হলো:
স্থায়ী আইন: জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো (যেমন: সীমানা নির্ধারণ বা আরপিও) বিল আকারে পাস করে স্থায়ী আইনে পরিণত করা হবে।
সংশোধন: কিছু অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে পরবর্তী অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে।
ভিন্নমত: কমিটির বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্য কিছু অধ্যাদেশের বিষয়ে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত দিয়েছেন, যা চূড়ান্ত রিপোর্টে উল্লেখ থাকবে।
আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে সব অধ্যাদেশ বিল আকারে আনা সম্ভব না হলেও প্রয়োজনীয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আনা হচ্ছে। বাকিগুলো পরবর্তী সেশনে তোলা হবে। আগামী ২ এপ্রিল বিশেষ কমিটির রিপোর্ট সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া মানবাধিকার কমিশন বা পুলিশ অধ্যাদেশ নিয়ে আইন মন্ত্রণালয় বিস্তারিত জানাবে।