নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কোনো রাজনৈতিক দলের অনুমোদিত ছাত্র সংগঠন থাকতে পারবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাসগুলো থেকে এসব সংগঠনের অস্তিত্ব সরিয়ে ফেলার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ বা ‘ভয়েস অব স্টুডেন্টস’ গঠন করা হবে।
কেবল শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং শিক্ষা প্রশাসনকেও কলঙ্কমুক্ত করতে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে:
ট্রেড ইউনিয়ন বিলুপ্ত: সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকদের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং দলীয় ট্রেড ইউনিয়ন পরিচালনা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পেশাদারিত্ব নিশ্চিত: শিক্ষকদের পদোন্নতি বা বদলিতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর পথ চিরতরে বন্ধ করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও পড়াশোনার মানোন্নয়নে বেশ কিছু আধুনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল সরকার:
পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল: শিশুদের ওপর থেকে পরীক্ষার চাপ কমাতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব ধরনের প্রথাগত অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এর বদলে মনস্তাত্ত্বিক ও বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হবে।
সেশন জট নিরসন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কঠোরভাবে শিক্ষা ক্যালেন্ডার অনুসরণ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহর এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো নেপালের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অপরাজনীতি থেকে মুক্ত করে গবেষণাধর্মী ও আনন্দদায়ক জ্ঞান অর্জনের কেন্দ্রে পরিণত করা। নেপালের সাধারণ জনগণ ও অভিভাবক মহল সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানিয়েছে।