জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার ইতিমধ্যে দেশের সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। এছাড়া, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি শিল্পকারখানাগুলোতে গ্যাসের বরাদ্দ ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে উৎপাদন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এলএনজি সরবরাহ বন্ধের এই প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী:
বিদ্যুৎ উৎপাদন: দেশের অধিকাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস নির্ভর হওয়ায় ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের মুখে পড়বে দেশ।
গার্মেন্টস ও রপ্তানি: উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় পোশাক খাতের অর্ডার বাতিল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
কৃষি ও সার: সার উৎপাদন ব্যাহত হলে আসন্ন মৌসুমে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।
মুদ্রাস্ফীতি: পরিবহণ ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে।
জ্বালানি বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত এলএনজি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তবে বৈশ্বিক বাজারে বর্তমানে গ্যাসের তীব্র সংকট থাকায় তাৎক্ষণিক সমাধান পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে এখনই দীর্ঘমেয়াদী এবং কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।