মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরীর সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম শেষে এবং ছুটির দিনগুলোতেও মাঠগুলো আশপাশের ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলার জন্য খুলে দিতে হবে। মূলত শহর ও গ্রাম পর্যায়ে খেলার মাঠের সংকট দূর করতেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সারাদেশে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তমন্ত্রণালয় কমিটির প্রথম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের অধীনস্থ সকল প্রতিষ্ঠানে এই নিয়ম কার্যকর করতে হবে এবং মাঠগুলো যেন কোনোভাবেই বেদখল বা অন্য কাজে ব্যবহৃত না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে।
সরকার মনে করছে, পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোররা ঘরবন্দি হয়ে পড়ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়ার ফলে স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে, যা তাদের সুস্থ বিকাশে সহায়ক হবে। এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য দেশের সকল জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।