ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম ‘ফারস নিউজ’ জানিয়েছে, ইস্পাহানের উত্তরাঞ্চলীয় কাভেহ সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস স্থাপনা এবং গ্যাস প্রেসার রিডাকশন স্টেশনে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় কেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী আবাসিক এলাকাগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, খোররামশহরের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্যাস পাইপলাইন স্টেশনে প্রজেক্টাইল (ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তু) আঘাত হেনেছে। তবে নগরীর গভর্নরের দাবি, আগে থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ বা প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সোমবার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চলছে এবং এর প্রেক্ষিতেই তিনি হামলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু ইরান শুরু থেকেই এই আলোচনার দাবিকে ‘ভুয়া’ বলে প্রত্যাখ্যান করে আসছিল। বর্তমান হামলা ট্রাম্পের সেই প্রতিশ্রুতিকে চরম প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে।
এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কেউই এই হামলার সরাসরি দায় স্বীকার করেনি। তবে ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম (হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে) শেষ হওয়ার পরপরই এই হামলা শুরু হওয়ায় আঙ্গুল উঠছে ওয়াশিংটনের দিকেই। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য এবং মাঠপর্যায়ের পদক্ষেপের মধ্যে চরম অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।