সভায় জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য হলো দেশের মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা। সেই লক্ষ্যেই আমরা শিক্ষা খাতকে আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে কাজ করছি।”
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ২ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও উপজেলা পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা খাতে আধুনিকায়নের লক্ষে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির আওতায় আগামী ১ বছরের মধ্যে প্রাথমিক থেকে কলেজ পর্যায়ের সকল শিক্ষকের হাতে ট্যাব পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা এবং পরিবেশ রক্ষায় ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে। হাফেজে কুরআনদের রাষ্ট্রীয় সম্মান ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য স্টুডেন্ট লোনের সুবিধাও নিশ্চিত করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে দীর্ঘদিনের শিক্ষক প্রশিক্ষণের জট দূর করতে প্রয়োজনে একাধিক শিফটে প্রশিক্ষণ পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। এমনকি জাতীয়করণকৃত ৫০ বছর ঊর্ধ্ব শিক্ষকদেরও এই আধুনিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।