স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় কোনো অবস্থাতেই আলোকসজ্জা করা যাবে না। একই নীতি ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। মূলত জাতীয় পর্যায়ের উৎসবগুলোতে যে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ অপচয় হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা রোধ করতেই এই পদক্ষেপ।
গত ৮ মার্চ সচিবালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বর্তমানের জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আড়ম্বরপূর্ণ আলোকসজ্জার পরিবর্তে দিবসের ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও দাম নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তার আগাম সতর্কতা হিসেবেই বাংলাদেশ সরকার এই সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করেছে।