আদালত চত্বরে সাংবাদিকরা ফয়সালকে হাদি হত্যার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি সরাসরি তা অস্বীকার করেন। ফয়সাল বলেন, “আমি এই কাজ করিনি। আমি এ ধরনের কোনো কাজে ছিলাম না।” তবে তাকে এই ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এর আগে তাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্সের (STF) সূত্র অনুযায়ী, ফয়সাল ও আলমগীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাদিকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন এবং গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন। গত ৮ মার্চ উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসটিএফ জানায়, তারা সুযোগ বুঝে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ছিলেন।
অভিযুক্ত ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি পটুয়াখালী এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়। আজ তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারক পুনরায় ১৪ দিনের জেল হেফাজত বা রিমান্ডের আদেশ দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, বাংলাদেশে ইনকিলাব মঞ্চ তাদের দ্রুত ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়ে রেখেছে।