মার্কিন দূতাবাসের বার্তায় জানানো হয়, অভিবাসীরা যাতে অবৈধভাবে সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণ না করেন বা মার্কিন অর্থনীতির ওপর বোঝা হয়ে না দাঁড়ান, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সহায়তা ও কল্যাণ সুবিধা ব্যবহারের প্রবণতা অনেক বেশি। এই পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্যই স্টেট ডিপার্টমেন্ট সাময়িকভাবে ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে।
এই স্থগিতাদেশের ফলে মার্কিন প্রশাসন তাদের বর্তমান যাচাই ও বাছাই নীতিমালা (Vetting Process) এবং প্রক্রিয়াগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করার সুযোগ পাবে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো এমন একটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, যা মার্কিন নাগরিকদের জাতীয় ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে।
দূতাবাসের স্পষ্ট ঘোষণা অনুযায়ী, এই স্থগিতাদেশ শুধু অভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। এটি পর্যটক (Tourist) এবং শিক্ষার্থী (Student) ভিসার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, আপাতত বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রায় সব পথই আইনি পর্যালোচনার কারণে সংকুচিত হয়ে এল।