১. ১৫ দিনের আল্টিমেটাম: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করতে হবে এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে খুনিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে।
২. বিচার বিভাগীয় তদন্ত: হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কুশীলব বা মাস্টারমাইন্ডদের আড়াল করার চেষ্টা রুখতে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।
৩. পালিয়ে যাওয়ায় সহায়তাকারীদের বিচার: আসামিরা কাদের মদদে সীমান্ত পাড়ি দিল এবং গোয়েন্দা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কারা এর সাথে জড়িত ছিল, তাদের নাম দ্রুত জনসমক্ষে প্রকাশ ও গ্রেপ্তার করতে হবে।
৪. বিশেষ আইনি বিশেষজ্ঞ সেল: ভারতের ‘UAPA’ আইনের জটিলতা নিরসনে একটি বিশেষ আইনি বিশেষজ্ঞ সেল গঠন করতে হবে, যারা ভারতীয় আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে এবং জাতিকে নিয়মিত আপডেট দেবে।
৫. লাইভ ওপেন ট্রায়াল: ওসমান হাদি হত্যার বিচার কোনো গোপন কক্ষে হবে না; বরং এটি ‘ওপেন ট্রায়াল সিস্টেম’-এ হতে হবে এবং জাতীয় গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করতে হবে।
৬. কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি: আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে আসামিদের ফিরিয়ে আনার রোডম্যাপ ঘোষণা না করা হলে, সারা দেশে একযোগে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইনকিলাব মঞ্চ রাজপথ থেকে জন্ম নেওয়া একটি সংগঠন এবং তারা শহিদের রক্তের সাথে কোনো আপস করতে জানে না। আসামিরা ধরা পড়াকে শুরুতে সরকারের সাফল্য মনে করা হলেও বর্তমান পরিস্থিতি তাকে ব্যর্থতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।