শুক্রবার সকালে ঈদের জামাতে অংশ নিতে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি আল-আকসা অভিমুখে যাত্রা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইসরাইলি সেনারা আগে থেকেই মসজিদের প্রবেশপথগুলোতে কঠোর অবরোধ তৈরি করে রেখেছিল। মুসল্লিরা ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে কোনো প্ররোচনা ছাড়াই তাদের ওপর টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এতে অনেক বৃদ্ধ ও শিশু শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের সাথে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষিতে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ আল-আকসায় ফিলিস্তিনিদের জমায়েত নিয়ে অত্যন্ত ভীত ছিল। এই আশঙ্কার জায়গা থেকেই সাধারণ মুসল্লিদের ওপর এমন অমানবিক কড়াকড়ি ও হামলা চালানো হয়েছে। আল-আকসা মসজিদকে কেন্দ্র করে এই সহিংসতা মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।
জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোতে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর এই নগ্ন আঘাতের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিভিন্ন মুসলিম দেশ ও মানবাধিকার সংস্থা। আল-জাজিরা জানিয়েছে, হামলার পর অনেক মুসল্লি মসজিদের ফটকের বাইরে ধুলোবালিময় রাস্তায় দাঁড়িয়েই তাদের নামাজ শেষ করেন।