গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লারিজানিই ছিলেন নিহত হওয়া সবচেয়ে হাই প্রোফাইল ইরানি নেতা। এর আগে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়েছে। লারিজানির মৃত্যু সম্পর্কে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, “আমরা আন্তর্জাতিক সম্পর্কে শক্তি প্রয়োগের ঘোর বিরোধী। ইরানি রাষ্ট্রনেতাদের হত্যা এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
তেহরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়া সত্ত্বেও চীন সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার সমালোচনা করেছে বেইজিং। চীন চায় না এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাক। মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত চীনের বিশেষ দূত ঝাই জুন এই মাসে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে সামরিক অভিযান বন্ধের তাগিদ দিয়েছেন।
চীন স্পষ্ট করেছে যে, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত করা উচিত নয়। শান্তি প্রচেষ্টার পাশাপাশি চীন মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে যে—ইরান, লেবানন, জর্দান এবং ইরাককে তারা বড় ধরনের মানবিক সহায়তা প্রদান করবে।