সাদা বলের সিরিজ খেলতে আগামী মাসে বাংলাদেশ সফরে আসছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। আজ সোমবার এই সফরের পূর্ণাঙ্গ সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ এই সফরে কিউইরা স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে লড়াই করবে। সর্বশেষ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে নিউজিল্যান্ড যখন বাংলাদেশ সফরে এসেছিল, তখন তারা ওয়ানডে সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছিল। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সফরের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। সিরিজের প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ দুটি আগামী ১৭ ও ২০ এপ্রিল ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি খেলতে দুই দল বন্দরনগরী চট্টগ্রামে যাবে। আগামী ২৩ এপ্রিল চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্রতিটি ওয়ানডে ম্যাচই দুপুর ২টায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড।
ওয়ানডে সিরিজ শেষ হওয়ার পর ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিন দলগুলো বিশ্রাম ও অনুশীলনের সুযোগ পাবে। এরপর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের লড়াই। সিরিজের প্রথম দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ চট্টগ্রামেই অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ২৭ ও ২৯ এপ্রিল। এই ম্যাচ দুটি ফ্লাডলাইটের আলোয় সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হবে। সিরিজের শেষ ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি খেলতে দুই দল পুনরায় ঢাকায় ফিরবে। আগামী ২ মে মিরপুরে সিরিজের শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে, তবে এই ম্যাচটি ফ্লাডলাইটে নয় বরং দুপুর ২টায় শুরু করার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য এই ওয়ানডে সিরিজটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ কারণ আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করার হিসাব-নিকাশ এর সঙ্গে জড়িত। বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নিতে হলে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে সেরা ৯ দলের মধ্যে থাকতে হবে। সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পর মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল এখন র্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরে অবস্থান করছে। র্যাঙ্কিংয়ের ২ নম্বরে থাকা শক্তিশালী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো ফল করতে পারলে বাংলাদেশ বিপুল রেটিং পয়েন্ট পাবে, যা বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পথ অনেক সহজ করে দেবে।