সামিরা মুনশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) তাঁর পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এই ‘অবৈধ যুদ্ধ’ তাঁকে গভীরভাবে বিচলিত করেছে। তাঁর মতে, মার্কিন সংবিধান বা কংগ্রেসের যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই এই সামরিক অভিযান শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন আইনি নৈতিকতা বিসর্জন দিয়েছে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সামিরা মুনশি তাঁর পদত্যাগের কারণ স্পষ্ট করে লিখেছেন: “আমার নাম সামিরা মুনশি। আমি হোয়াইট হাউস রিলিজিয়াস লিবার্টি কমিশনের উপদেষ্টা হিসেবে প্রেসিডেন্টের নিয়োগপ্রাপ্ত সদস্য। আজ আমি দেশে ও দেশের বাইরে এই প্রশাসনের অন্যায় ও নৃশংসতার প্রতিবাদে পদত্যাগ করছি।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামিরা মুনশির মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম প্রতিনিধির পদত্যাগ ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ ধর্মীয় ও নৈতিক ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ যখন তৃতীয় সপ্তাহে পদার্পণ করেছে, তখন প্রশাসনের ভেতর থেকেই ‘অন্যায় ও নৃশংসতার’ অভিযোগ আসা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের ইমেজ সংকট তৈরি করতে পারে।