প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় সংসদ সদস্যসহ (এমপি) সকল স্তরের জনপ্রতিনিধিদের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতি সপ্তাহের শনিবার নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকা ও বসতবাড়ির আশপাশে সশরীরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার মতো মরণঘাতী রোগ এখন জনগণের জন্য বড় উদ্বেগ। অথচ আমাদের সচেতনতাই পারে এই বিপদ থেকে রক্ষা করতে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী এডিস মশার কামড় থেকেই মানুষ এসব রোগে আক্রান্ত হয়, তাই প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ এখনই জরুরি।"
বর্ষাকালে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট কিছু পরামর্শ দিয়েছেন:
ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, পরিত্যক্ত টায়ার কিংবা বাড়ির ছাদে কোনোভাবেই তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া যাবে না।
পানির ট্যাংক সর্বদা ঢেকে রাখতে হবে।
সপ্তাহে অন্তত একবার বাড়ির ভেতর ও বাহির পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, "আমাদের সরকারের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির মূল দর্শন হলো 'প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর'—অর্থাৎ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চললে ইনশাআল্লাহ আমরা জনগণকে এসব মরণঘাতী জ্বর থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হব।"
আগামী ১৪ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই দেশব্যাপী অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ড্রেন, ডোবা ও নর্দমার মতো যেসব জায়গায় পচা পানি জমার সুযোগ রয়েছে, সেগুলো দ্রুত পরিষ্কার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
সবশেষে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, "কোথাও ময়লা পানি জমে থাকতে দেবেন না। নিজের বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখুন। নিজেকে এবং অপরকে রক্ষা করুন।"