জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান। প্রতি লিটার ডিজেলে ১৮ থেকে ২০ টাকা লোকসান হওয়া সত্ত্বেও জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দাম না বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি। একইসঙ্গে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং মজুতদারি রোধে দেশজুড়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠক শেষে জ্বালানিমন্ত্রী জানান, দেশে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আগামী ৯ মার্চ থেকে ধারাবাহিকভাবে তেলের জাহাজ দেশে পৌঁছাবে। ফলে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। তবে রেশনিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফিলিং স্টেশনগুলোকে গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম তেল সরবরাহ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, রেশনিংয়ের প্রথম দিনে শনিবার রাজধানীসহ সারা দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে নজিরবিহীন ভিড় ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। তেলের সংকটে ঢাকার ১২৫টি পাম্পের মধ্যে ১০০টির বেশি দুপুরের আগেই বন্ধ হয়ে যায়। খোলা থাকা পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ লাইন সায়েন্স ল্যাব থেকে শাহবাগ ছাড়িয়ে যায়। অনেক জায়গায় গ্রাহকদের সঙ্গে পাম্প কর্মীদের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষ করে ডেমরা, শাহবাগ ও মতিঝিল এলাকায় দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চালকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অনেক পাম্পে পুলিশ মোতায়েন করতে হয়েছে।