ফেসবুকে পরিচয়, দেখা করতে এসে ধর্ষণের শিকার


অনলাইন ডেস্ক , আপডেট করা হয়েছে : 05-03-2026

ফেসবুকে পরিচয়, দেখা করতে এসে ধর্ষণের শিকার

ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রে সুনামগঞ্জে তথাকথিত ‘প্রেমিকের’ সঙ্গে দেখা করতে এসে এক কিশোরী (১৭) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা থেকে আসা ওই কিশোরীর দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে অভিযান চালিয়ে তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো—সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বাঁধনপাড়া এলাকার সোহেল মিয়া (৩০), বড়পাড়া এলাকার মাসুম মিয়া (২৫) ও গণিপুর এলাকার মোহাম্মদ এরশাদ (৩৪)।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বিশ্বনাথের ওই কিশোরীর সঙ্গে সুনামগঞ্জের ভৈরব নামের এক যুবকের ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত সপ্তাহে ভৈরবের সঙ্গে দেখা করতে সে সুনামগঞ্জে আসে। তবে দেখা হওয়ার পর তারা জানতে পারে যে তারা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, ফলে সম্পর্কটি আর না এগোনোর সিদ্ধান্ত নেয় দুজন। এরপর ভৈরব ওই কিশোরীকে সাময়িকভাবে তার বন্ধু সোহেল মিয়ার বাসায় থাকতে দেয়। অভিযোগ উঠেছে, সেই বাসায় সোহেল ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে গত রবিবার সোহেলের মা কিশোরীকে বাসা থেকে চলে যেতে বললে, সোহেল তাকে সিলেটে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দেয় তার দুই বন্ধু এরশাদ ও মাসুমকে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, এরশাদ ও মাসুম ওই কিশোরীকে সিলেটে না নিয়ে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভেতরে তারা কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। কিশোরী কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে বিশ্বম্ভরপুর শহরের ওয়েজখালী এলাকার একটি বাসায় আটকে রাখা হয়। পরে ওই বাসার মালিকের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোহেল সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে বুধবার রাতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, ‘মামলা হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি আমরা। আজ তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’ পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী কিশোরীর চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


অফিস: নিউ ইস্কাটন রোড, মগবাজার, ঢাকা-১০০০

ইমেইল : info@trendnewsbd.com