প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে মন্ত্রিসভার আট জন প্রতিমন্ত্রীর দফতর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ৩বি (আইআই) বিধি অনুযায়ী এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো এনেছেন। বুধবার ৪ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিমন্ত্রীর কাজের পরিধি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. শরিফুল আলম আগে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করলেও এখন থেকে তিনি শুধুমাত্র বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাবেন। একইভাবে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে এখন থেকে শুধু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে হাবিবুর রশিদকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এখন নতুন করে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মো. রাজিব আহসান এখন থেকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এখন থেকে শুধুমাত্র পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। ফারজানা শারমীন আগে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও বর্তমান রদবদলের পর তিনি এখন থেকে শুধু সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া মো. নুরুল হক নুরকে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এখন শুধুমাত্র প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ববি হাজ্জাজ এখন থেকে শুধু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। মূলত প্রশাসনিক কাজের স্বচ্ছতা ও গতি বাড়াতে এবং নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী এই দফতরগুলো পুনর্বণ্টন করেছেন।