মিমির বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকার মানহানির মামলা


অনলাইন ডেস্ক , আপডেট করা হয়েছে : 03-03-2026

মিমির বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকার মানহানির মামলা

টলিউড অভিনেত্রী ও প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী এবার বড় ধরনের আইনি জটিলতার মুখে পড়েছেন। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের বাৎসরিক অনুষ্ঠানে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে তিনি যে আইনি লড়াই শুরু করেছিলেন, এবার তার পাল্টা জবাব দিলেন ওই অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রী। মিথ্যা অপবাদ ও মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগে মিমির বিরুদ্ধে বনগাঁ আদালতে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেছেন তিনি। এই মানহানির মামলায় অভিনেত্রীর কাছে ২০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুরো বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জে আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর মিমি চক্রবর্তী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ তোলেন যে, আয়োজক তনয় শাস্ত্রী তার সঙ্গে অভব্য আচরণ ও হেনস্তা করেছেন। মিমির এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এমনকি মিমি নিজেও আদালতে গিয়ে তার গোপন জবানবন্দি দিয়ে আসেন। তবে তনয় শাস্ত্রী জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরই দৃশ্যপট বদলে যেতে শুরু করে।

ক্লাব কর্তৃপক্ষ ও তনয় শাস্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, মিমি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক দেরিতে মঞ্চে উঠেছিলেন। রাত ১২টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতা থাকায় তাকে কেবল মঞ্চ ছাড়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। তনয় শাস্ত্রীর আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি অভিযোগ করেছেন যে, মিমি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার মক্কেলকে সামাজিকভাবে হেয় করেছেন। এই মানহানির মামলার পাশাপাশি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগও আনা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, অনুষ্ঠানের জন্য মিমিকে যে ২ লাখ ৬৫ হাজার রুপি অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল, সেটিও তাকে ফেরত দিতে হবে। এই পাল্টাপাল্টি আইনি লড়াই এখন কলকাতা ও বনগাঁর টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে। তবে মিমির পক্ষ থেকে এই মামলার বিষয়ে এখনও কোনো পাল্টা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


অফিস: নিউ ইস্কাটন রোড, মগবাজার, ঢাকা-১০০০

ইমেইল : info@trendnewsbd.com